বিশ্বজিৎ সিংহ রায়,,
মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ
বর্তমানে প্লাস্টিক ও সিলভার মেলামাইনের তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা বেশি থাকায় তেমন ভালো নেই মাগুরার মৃৎশিল্পের কারিগররা।
মৃৎশিল্পের সঙ্গে প্রাচীন সভ্যতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সেই মৃৎশিল্প অনেকটাই হুমকির মুখে।
মৃৎশিল্পীরা তাদের সুনিপুন হাতে তৈরী করে মাটির পাতিল,সাচ,সরা,মালসা,ঢাকনা,ব্যাংক,পুতুল,পাখি,ফুলের টপ,চুলার পাইপ,সহ বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
প্রাচীন পদ্ধতি হাত দিয়ে কাঠের চাকা ঘুরিয়ে তৈরি করা হতো মাটির জিনিস।
বর্তমানে আধুনিক যুগে সনাতন পদ্ধতি বাদ দিয়ে কুমোর পাড়ায় মটরে লোহার চাকা বসিয়ে তৈরি করছে মাটির হরেক রকম জিনিসপত্র। মৃৎশিল্পীরা অনেক কষ্ট করে তাদের বংশপরম্পরায় সেই ঐতিহ্যকে আজও ধরে রেখেছেন।
মাগুরা সদরের শ্রীকুন্ঠি,দীঘলকান্দি,শালিখা গঙ্গারামপুর,বয়রা,মহম্মদপুর উপজেলার,রাজাপুর বিনোদপুর,ডুমুরশিয়া ও শ্রীপুর ঘুরে জানা যায়, বিভিন্ন কুমোর পল্লীর পালের মাটির জিনিসপত্র তৈরি করছেন তারা।
রাজাপুর গ্রামের কালীপদ পাল ও কার্তিক পাল জানান,,এই প্রাচীন ঐতিহ্য আমরা ধরে রেখেছি।ভালো মানের মাটি ছাড়া এজিনিস তৈরি করা যায় না।অনেক দূর থেকে আমরা মাটি ক্রয় করে এনে মাটির জিনিস তৈরি করি।
সরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা পেলে মৃৎশিল্পকে আমরা ভালো ভাবে ধরে রাখতে পারি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ