কেন্দুয়ায় সাফিয়া খোরশেদ আহম্মদ মডেল একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

রুকন উদ্দিন, নেত্রকোণা:
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কেন্দুয়া পৌরসভাস্থ ৪ নং ওয়ার্ডের সাফিয়া খোরশেদ আহম্মদ মডেল একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ২০২৪ সম্পন্ন হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন আহম্মেদ খোকনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দুয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: আসাদুল হক ভূঞা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সঙ্গীতের পরিবেশনার সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করার পরপরেই ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করে।
বিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক ও কেন্দুয়া আশরাফিয়া হোছাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মো: আনোয়ার হোসেনের উপস্থাপনায় ও বিদ্যালয়ের পরিচালক ও আশরাফিয়া হোছাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মো: হাদিউল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ক্রীড়া পরিচালনা করেন- নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক শহীদুজ্জামান ভূঞা, মনকান্দা এম.ইউ আলিম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবা সুলতানা লাকী, সাফিয়া খোরমেদ আহম্মদ মডেল একাডেমীর প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: টিপু সুলতান, সেনাবাহিনীর (অব:) সার্জেন্ট আবু তাহের ভূঞা, কর্পোরাল (অব:) মোখলেছুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দুয়া উপজেলা দূর্নীতি দমন কমিশনের সভাপতি মো: আব্দুস ছাত্তার আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করীম মামুন, টেংগুরী পশ্চিমপাড়া গ্রামের সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো: সুরুজ আহম্মেদ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম সেলিম, মানবাধিকার কর্মী মামুনুল কবির খান হলি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ, অবিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিকবর্গ, সুধীজন এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
খেলাধুলার প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ক্রীড়া অনুষ্ঠানের সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন খোকন বলেন- আমি কেন্দুয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের টেংগুরী গ্রামের বাসিন্দা পেশায় আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। অনেকেই অনেক কিছুই করতে চায় তাই আমিও আমার মা বাবার নামে ২০২১ সালে আমার নিজস্ব প্রায় ৫০ শতাংশ জায়গায় স্কুলটি গড়ে তুলেছি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত আমার ব্যবসার আয়ের একটা অংশ থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাসিক বেতন, অবকাঠামো উন্নয়ন, বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান সহ বি়ভিন্ন কার্যক্রমে ব্যয়ে করে যাচ্ছি। তবে বিদ্যালয়টি আমি প্রতিষ্ঠা করলেও পরিচালনা করার দায়িত্ব সবার। সর্বোপরি বিদ্যালয়টি আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

