নেত্রকোণা থেকে:

আগামী ৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্র লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গত বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাবেরী জালালের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের নিযমানুযায়ী কেউ যদি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান তাহলে ঐ প্রার্থীকে অবশ্যই তাঁর নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের ১% এর স্বাক্ষরিত তালিকা জমা দিতে হয়। নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিনও তাঁর সমর্থকদের স্বাক্ষরিত ১% ভোটারের তালিকা জমা দিয়েছেন।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৯, নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) নির্বাচনী এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গতকাল (৩০ নভেম্বর) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি যদিও আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম। নিয়মানুযায়ী উক্ত মনোনয়নপত্রের সাথে মোট ভোটারের ১℅ স্বাক্ষরিত দলিলাদিও জমা দিয়েছি। আমার দাখিলকৃত দলিলাদিতে যাদের স্বাক্ষর রয়েছে তাদেরকে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু ও আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্ন এলাকার আমার সমর্থক যারা স্বাক্ষর করেছে তাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এবং ক্ষেত্রবিশেষ কাউকে কাউকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের স্বাক্ষর অস্বীকার করার জন্য নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তারা যে আমাকে সমর্থন করে স্বাক্ষর করেছে তা যেন অস্বীকার করে। এই ন্যাক্কারজনক কাজটি আজ সকাল থেকেই চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকা থেকে আমার কাছে খবরটি এসেছে। আমি এই বিষয়টি বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য আজকের এই সংবাদ সম্মেলন করছি, পাশাপাশি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি এটাই কেন্দুয়া-আটপাড়ার নির্বাচনী এলাকার সকল ভোটারসহ সকলের কাছে আমার ঔদ্ধত্য আহ্বান।

তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি এই নির্বাচনে দুই উপজেলার মেজরিটি ভোটার, সমর্থক আমার কর্মী তাঁরা সবসময়ই আমার পাশে আছেন। আপনারা যারা মাত্র ১℅ ভোটারদের স্বাক্ষর অস্বীকার করানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠলেও আমি কমপক্ষে ৫০℅ ভোটার সমর্থকদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে পারবো ইনশাল্লাহ।

অতএব, এই ছল-চাতুরী, পাঁয়তারা এবং ষড়যন্ত্র করে কেউ যদি আমাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য চেষ্টা করেন তাহলে কোন লাভ হবে না। জনগণ আমার সাথে আছেন তাঁরাই ভোটের মাধ্যমে উচিত জবাব দিবেন নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ