এ কে এম রেজাউল করিম,

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর থানার চরপাচুড়িয়া গ্রামে আপন ছোট চাচার বিরুদ্ধে দোকান ঘর নির্মাণ ও জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মৃত আহমদ শেখ এর ছেলে শামসুজ্জামান সাংবাদিকদের কাছে একটি অভিযোগ করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাবেক ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানার পাচুড়িয়া ইউনিয়নের চরপাচুড়িয়া গ্রাম ( বর্তমান মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরপাচুড়িয়া) গ্রামের মৃত হাতেম শেখের ছেলে সিরাজ শেখ কতিপয় লোকজন নিয়ে প্রায় তিন বছর আগে একটি দোকান ঘর এবং বর্তমানে বসবাস করার জন্য ইটের দেয়াল দিয়ে একটি পাকা স্থাপনা তৈরির কাজ করছে।

শামসুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, আমার আব্বার বর্তমান ১৪৬ নং খতিয়ানের ১৬৯৬ দাগের জমির মধ্যে আমাদেরকে না জানিয়ে একটি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। আমি কাজের সুাবাধে ঢাকায় থাকি তাই ফোনে ঘর সরানোর কথা বললে তিনি বলেন নিচ্ছি নেব এই বলে অনেক দিন ঘুরাচ্ছে। আমি মিমাংসা করার চেষ্টা করি। সিরাজ চাচা বলেছিলেন আমি দেশে এসে ঘর সরিয়ে নেব। কিন্তুু এখন তিনি দেশে এসে আগের ঘর না সরিয়ে আমাকে না জানিয়ে কতিপয় লোকজন নিয়ে নতুন একটি ইটের দেয়াল দিয়ে স্থাপনা তৈরি করছে।

শামসুজ্জামান আরও বলেন, সিরাজ চাচার আরেক ভাইয়ের স্ত্রী শিরিন বেগম ২২.৫ শতক জমি ক্রয়ের জন্য ২৯/৫/২০১৩ সালে ১৫০ টাকার স্টাম্পে অগ্রীম টাকা দিয়ে বায়নাপত্র করেন। যার সাবেক দাগ ৩৩৫ এবং বর্তমান ২৬১ এবং ১৭০০ (বাড়ি এবং নাল)। কিন্তুু সেই জমি এখন পর্যন্ত লিখে দেয়নি। আমি লিখে নিতে চাইলে আজ কাল বলে নানা তাল বাহানা করে।
আমি তাকে বাধা দিলে আমাকে দেখে নিবে বলে হুমকি দেয় এবং টাকার জোরে লোকজন নিয়ে ভয় ভিতি দেখাচ্ছে। আমি ভয়ে বাড়ি যেতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন নিজের আপন চাচি হওয়ার কারনে সমোঝোতার চেষ্টা করেছি কিন্তুু কোনো কাজ হয়নি বরং শিরিন বেগম এখন অন্যকে জমি লিখে দিতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে আমার কাছে প্রমাণ রয়েছে। তাই এ বিষয়ে আপনাদের মাধ্যমে আমি প্রশাসনকে অবগত করতে চাই।

এ ক্ষেত্রে সিরাজ শেখ কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমার কোনো দলিল নেই রেকর্ড অনুযায়ী ১৭০০ নং দাগে আমার নামে ৬.৬৬ শতক জমি আছে। সে মূলে আমি কাজ করছি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ