বোয়ালমারীতে পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘর ভাঙচুর, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাট

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: বোয়ালমারীতে একটি পুকুর থেকে মাছ ধরা সন্দেহে এক যুবককে মারপিট করে সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর কুপিয়ে টাকা স্বর্ণালংকার লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের রেনিনগর নিচুপাড়া গ্রামে ৪ সহোদর আরমান, মিলন, আরব আলী, ও সাহেব আলী বাড়িঘর ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে টাকা, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র তছনছ করেছে দূর্বৃত্তরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের রেনীনগর নিচুপাড়া গ্রামের খালেক বিশ্বাসের ছেলে আরব বিশ্বাস ১১ জানুয়ারী একই ইউনিয়নের উমরনগর গ্রামের ফরহাদ খানের পুকুর পাড়ে যায়। পরে মাছ ধরছে সন্দেহ করে ফরহাদ খান আরব আলী বিশ্বাসকে মারপিট করে। তার চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে আরবের ভাই আরমান ছুটে এসে পুকুর মালিকের সাথে ধস্তাধস্তি করে। এসময় পুকুর মালিকের পক্ষ নিয়ে ধলা মিয়ার ছেলে রাকিব আরমানের গলায় দা ঠেকিয়ে ধরে। পরে আরব আলী পুকুর মালিকের কাছে মাফ চেয়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনার সূত্র ধরে ওই দিন সন্ধ্যায় ফরহাদের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন হামলা চালিয়ে আরমানের মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, শোকেসসহ বিভিন্ন ধরণে আসবাব পত্র ভাঙচুর নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও একটি এলইডি টিভি ছিনতাই করে নেয়।
আরমান বিশ্বাস বলেন, ফরহাদ খানের পুকুর পাড়ে আমার ভাই আরব আলী যাওয়ার কারণে তার উপর হামলা চালায়। এসময় ওইখানে আমার সাথে একপ্রকার কথা কাটাকাটি হয়। তার পরে ফরহাদ চাচা আমাদের চেয়ে বড় হওয়ায় আমরা তার কাছে ক্ষমা চেয়ে বাড়িতে আসি। তবে সন্ধ্যায় সে অর্ধশতাধিক লোকজন এনে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার প্রায় ৭-৮ লাখ টাকার মালামাল ভাঙচুর ও লুট করে নিয়ে গেছে। আমরা গরিব মানুষ। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে ফরহাদের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি, এবং তার মোবাইল ফোন রিসিভড না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
বোয়ালমারী থানার ওসি মো. গোলাম রসূল বলেন, এ বিষয় আমি জানতে পারিনি। কেউ পুলিশে খরব দেয়নি। এখন পর্যন্ত কেউ কোন প্রকার অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে সত্য ঘটনা জেনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

