মোঃ আনোয়ার হোসেন,নিজস্ব প্রতিবেদক(ফরিদপুর),

আওয়ামীলীগ যখনই সরকার গঠন করে তখনই দেশের উন্নয়ন হয় এবং দেশের জনসাধারণের ভাগ্যের উন্নতি হয়।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা – ভাঙ্গা অংশের উদ্বোধন শেষে ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেল তিনটার দিকে ভাঙায় আওয়ামীলীগের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে মুন্সিগঞ্জ-মাওয়াপ্রান্তে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-ভাঙ্গা রেল সার্ভিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগদিয়ে সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সড়ক পথে ঢাকার গণভবন থেকে মাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় পৌঁছান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা।

মাওয়াপ্রান্তে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-ভাঙ্গা রেল সার্ভিস উদ্বোধনের পর অতিথিদের নিয়ে মাওয়া থেকে ট্রেনে চড়ে পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙ্গায় পৌছান তিনি। সেখানে তিনটার দিকে জনসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ ৫ বছর পর ফরিদপুরে জনসভায় যোগ দিলেন শেখ হাসিনা।

ফরিদপুর একসময় অবহেলিত ছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ফরিদপুর পুরানো শহর, সবসময় অবহেলিত ছিল। আমরা সরকারে এসে ফরিদপুরের উন্নয়ন করেছি, ফরিদপুরের মেডিকেল কলেজকে সম্প্রসারিত করে সেবা বাড়িয়েছি।’

‘দেশের মানুষের জন্য কাজ করব সেই প্রতিজ্ঞা নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। সেই কাজ করে যাচ্ছি। এসব কাজে আমাদের নেতাকর্মীরাও সহযোগিতা করেছে। নৌকা মার্কা যেমন স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, তেমনি নৌকায় ভোট দেয়ায় দেশ উন্নত হয়েছে, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে।’

‘আমি জানি অনেক জ্ঞানীগুণী আমার সঙ্গে নেই কিন্তু দেশের মানুষ আমার সঙ্গে আছে। এদেশকে নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমার সঙ্গে দেশের মুক্তিযোদ্ধারা আছে। যারা বুকের তাজা রক্তা দিয়ে এদেশ স্বাধীন করেছে তারা আমার সঙ্গে আছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশের এক ব্যক্তি একটি ব্যাংকের এমডি পদের জন্য হিলারি ক্লিনটনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের পদ্মা সেতুর টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছরে কিন্তু ব্যাংকের এমডি ৬০ বছরে বেশি হলে থাকতে পারে না।’

ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ