এ কে এম রেজাউল করিম,

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের আউটযুগ ও তামারহাজী। রূপাপাত ইউনিয়নের কুমরাইল গ্রামে চলছে অবৈধ ডেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের মহোৎসব।

ড্রেজার মালিকরা আইনের কোন তোয়াক্কা না করে দেদারছে করে যাচ্ছে বালু উত্তোলনের কাজ। এদিকে ড্রেজার মালিক সাতৈর ইউনিয়নের শেলাহাটি গ্রামের জাকারিয়া হোসেন বলেন, সে সরকারিসহ সব দপ্তর ম্যানেজ করে বালু উত্তোলনের কাজ করছে।

সরজমিন গিয়ে জানা যায়, আউটযুগ মাঠের একটি পুকুর থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে টাকার বিনিময় তামারহাজী ও আউটযুগ গ্রামের বিভিন্ন পুকুর ও ফসলি জমি ভরাট করছে জাকারীয়া। ইতিপূর্বে বোয়ালমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়ে কয়েকটি পাইপ ভেঙ্গে দেন। তারপরও তাদের বালু কাটা থামছে না অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে। অপরদিকে কুমরাইল গ্রামে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে বেড়াদি গ্রামের আলমগীর হোসেন, তামারহাজি গ্রামের জুনায়েদ মিনা। সাতৈর ইউনিয়নের কান্দাকুল গ্রামে সাতৈর গ্রামের আওয়াল শেখ অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে।

জাকারিয়া হোসেন বলেন, তিনি সরকারি দপ্তর ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন করে আসছে। যে যা পারে করুক। আপনারা ঠেকায় দিতে পারবেন? তিনি আরো বলেন, আমি প্রশাসন ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন করছি আপনারা যদি পারেন বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিন।

আলমগীর হোসেন বলেন, বালু আসছেনা ভাল। কিছুদিন কাজ করার পর আপনাদের সাথে দেখা করব।

কুমরুল গ্রামের মনিরুল বলেন, শুনেছি ড্রেজার দিয়ে মাটিকাটা সরকারি নিষেধ আছে। আপনাদের মত লোকজন আসে দুই দিন বন্ধ থাকার পরে আবার কাজকর্ম শুরু হয়। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় দেশে খাদ্যের সংকট দেখা দিবে।

রুপাপাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানা নেই।

বোয়ালমারীর সহকারী কমিশনার (ভুমি) গোলাম রাব্বানীর সরকারি ফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নাই।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ