এ কে এম রেজাউল করিম,

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের চর শেখর গ্রামে এক বুড়ো-বুড়ির পরকিয়া প্রেমের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখর গ্রামের ফেলু মোল্লার ছেলে মিরাজ মোল্লা একই গ্রামের খবির মোল্লার মেয়েকে ইসলামী শরীহ্ মোতাবেক প্রায় ২৮/৩০ বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পরে সংসার ভালো চলবে বলে মিরাজ স্ত্রীকে রেখে মালয়েশিয়াতে যান। আর এদিকে একই ইউনিয়নের ভূলবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইলের ছেলে আমিনুরের চোখ পড়ে মিরাজের স্ত্রী রেহেনার প্রতি। চোখ থেকে মন, মন থেকে প্রেম। প্রেম থেকে পরকিয়া, তার পর দেহ। এভাবে চলতে থাকে তাদের দেহ দেয়া নেয়া। মিরাজ ছুটিতে বাড়ি আসে মাঝেমধ্যে। তারমধ্যে রেহেনার ঘর আলোকিত করে তিনটি কন্যা সন্তান হয় এবং ওদিকে আমিনুরের ঘরেও চারটি সন্তান জন্ম দেন আমিনুর। কিন্তু পরকীয়া থেমে থাকে না। রেহেনা আমিনুর উভয়েই ছেলে মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। হয়েছেন দাদা এবং নানী। মিরাজ শেষ বয়সে বাড়িতে এসে এখন একটি ইজিবাইক চালান এবং আমিনুর চালান একটি ভ্যানগাড়ী।

গত সপ্তাহে আমিনুর রেহেনাকে নিয়ে হয়েছিলেন দেশান্তরি। সন্তানদের দিকে তাকিয়ে উভয় পরিবার হয়েছিল নিরুপায়। খোঁজাখুঁজির পর মিরাজ অভিযোগ করেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামালের নিকট। কামাল চেয়ারম্যান গতকাল স্ত্রী রেহেনাকে দিয়ে যান তার বাবার বাড়ি শেখরে। এমনই কথা বলেন মোবাইলে মিরাজ। মিরাজ আরও বলেন, আমিনুর আগে আমার বাড়িতে আসতো। এখন বাড়িতে আসেনা কিন্তু আমার স্ত্রীকে ফুসলাইয়া মাঝে মধ্যে অন্য খানে নিয়ে যায়। আমি ওই স্ত্রীকে এখনও (১৬.১১.২৪ ইং) বাড়ি উঠায় নাই। নিউজ সংগ্রহে গেলে এলাকার উঠতি বয়সের পোলাপান রসিকতার সাথে বলছেন বুড়োবুড়ির প্রেম।
আমিনুরের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী ৫/৬ দিন বাড়ি ছাড়া। আমি শুনেছি শেখর গ্রামের একটি মহিলার সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক। মহিলা আমাদের বাড়িতে এসেছে কিন্তু আমার স্বামী তাকে তো আমি মারতে পারি না। আমার চারটে সন্তান ও নাতি-নাতনীদের দিকে তাকিয়ে এই বাড়িতেই ধৈর্য ধরে আছি।

শেখর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. কামাল আহমেদের দুটি মোবাইল শেষে ২১৩ ও ৩৪৪ রাত ৭.৩৫ থেকে ৭.৪২ পর্যন্ত একাধিকবার কল দিলে ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ